আমাদের সম্পর্কে

আলহামদুলিল্লা হি রাব্বিল আ’লামিন, ওয়াস সালাতু ওয়াসসালামু আ’লা রাসুলিহিম কারিম। ইন্না সালাতি ওয়া নুসুকি ওয়া মাহইয়া ওয়া মামাতি লিল্লাহি রাব্বিল আ’লামিন।

(সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য, যিনি সকল জগতের প্রতিপালক। এবং সালাত (রহমত) ও সালাম বর্ষিত হোক তাঁর সম্মানিত রাসুলের উপরে। নিশ্চয়ই আমার সালাত (নামাজ), আমার কোরবানি, আমার জীবন এবং আমার মৃত্যু সবই আল্লাহর জন্য, যিনি সকল জগতের প্রতিপালক।)

সুরা আন আমের ১৫৯ নাম্বার আয়াতে আল্লাহ বলেন, “যারা দ্বীন সম্বন্ধে নানা মতের সৃষ্টি করেছে এবং বিভিন্ন দলে বিভক্ত হয়েছে তাদের কোন দায়িত্ব তোমার নয়; তাদের বিষয়ে আল্লাহর ইখতিয়ারভুক্ত। আল্লাহ তাদেরকে তাদের কৃতকর্ম সম্বন্ধে অবহিত করবেন।” কুরআন এই বিধান অনুযায়ী মুসলিমদের পরস্পরের মধ্যে নানা মত ও বিভিন্ন দল থাকবে যেমন বলা হয়েছে, তেমনি নানা মত ও বিভিন্ন দলের দায়িত্ব নিজে না নিয়ে আল্লাহর ইখতিয়ারে রাখার কথা ও বলা হয়েছে। সুরা আনফালের ৪৬ নম্বর আয়াত অনুযায়ী “তোমরা আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের আনুগত্য কর এবং ঝগড়া করো না, তা হলে তোমরা সাহস হারাবে এবং তোমাদের শক্তি বিলুপ্ত হয়ে যাবে।” পরস্পর ঝগড়া না করে বরং সুরা আলে ইমরানের ১০৩ নম্বর আয়াত অনুযায়ী “তোমরা সকলে আল্লাহর রজ্জু দৃঢ় ভাবে ধারণ কর এবং পরস্পর বিচ্ছিন্ন হয়ো না।” এক মুসলিম দাওয়াহ কল্যাণ সংস্থার সকল সদস্য-মুসলিমদের মধ্যে ঐক্য সাধন করে, নবী মুহাম্মদ (সঃ) এর অনুসরণে, এক আল্লাহর বিধানের চর্চা, জ্ঞান অর্জন ও নিজ জীবনে তা আমল করে আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভ করার চেষ্টা করছে।

দাওয়াতি কাজের মাধ্যমে মসজিদে ভিত্তিক ইসলামি সমাজ গঠন আমাদের দাওয়াতি কাজের অংশ। প্রতিটি মসজিদে ফজর ও আসরের সালাতের পর অল্প সময়ের জন্য কুরআন ও হাদীস এর বাংলা তর্জমা পাঠ শুনানো ও শিশুদের জন্য সকালে মক্তব ও বয়স্কদের জন্য সন্ধ্যায় দ্বীন শিক্ষা লাভের ব্যবস্থা করার চেষ্টা করছে।

কল্যাণ সংস্থা হিসেবে “এক মুসলিম দাওয়াহ কল্যাণ সংস্থা” নিম্নলিখিত কার্যক্রম বাস্তবায়নে সকলের অংশগ্রহণ ও সহযোগিতা কামনা করছে:

এক মুসলিম দাওয়াহ কল্যাণ সংস্থার ১৯ সদস্য বিশিষ্ট নির্বাহী কমিটির প্রধান দায়িত্বশীল :-

অনুমোদন

রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেট

লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য

আয়-ব্যয় নীতি

সরাসরি ব্যবস্থাপনা

যেকোনো প্রকল্প সফলভাবে ও যথাযথভাবে বাস্তবায়নের জন্য ব্যবস্থাপনা ব্যয় অপরিহার্য। প্রকল্প বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে, সম্পূর্ণ স্বচ্ছতার সাথে একান্ত প্রয়োজনীয় পরিমাণ অর্থ ব্যয় করা হয়। এর মধ্যে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে—

আমরা নিশ্চিত করি যে প্রতিটি অনুদান যথাযথভাবে ব্যবহৃত হয় এবং প্রকৃত সুবিধাভোগীদের কাছে পৌঁছায়। আমরা প্রতিটি কার্যক্রম স্বচ্ছতা, দক্ষতা এবং সর্বোচ্চ জবাবদিহিতার সাথে পরিচালনা করি।

পরোক্ষ ব্যবস্থাপনা

প্রকল্পের যথাযথ বাস্তবায়নের জন্য একটি প্রশাসনিক সংস্থা প্রয়োজন। প্রশাসনিক সংস্থার প্রয়োজনীয় খরচ বা দাপ্তরিক ব্যয়কে পরোক্ষ ব্যবস্থাপনা ব্যয় হিসেবে গণ্য করা হয়, যা সর্বোচ্চ ৭%-এর মধ্যে রাখা হয়। দাপ্তরিক ব্যয়ের অন্তর্ভুক্ত হলো—

দাপ্তরিক খরচ কেন গুরুত্বপূর্ণ?

Home
Donate
Youtube
Facebook